কে করবেন উদ্বোধন? বিজেপির দূর্গাপূজোর সূচনা ঘিরে অনিশ্চয়তা

27
- Advertisement -

বিজেপির দূর্গাপূজো
আজ দেবী দূর্গার বোধন,শারোদৎসবের মহাষষ্ঠী।গতবছরের মতো এই বছর ও বিজেপির পক্ষ থেকে দূ্র্গাপূজোর আয়োজন করা হয়েছে।বিজেপির থেকে জানা গিয়েছিল এই পূজোর ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করবেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। কিন্তু রবিবার পর্যন্ত ও জে পি নাড্ডার ভার্চুয়ালি উপস্থিতি নিয়ে জটিলতা কাটল না। এই মত পরিস্থিতিতে জানা গিয়েছে ষষ্ঠীর দিন সোমবারে পূজোর উদ্বোধন করবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার।

- Advertisement -

গত বছর ধুমধাম করে দূর্গাপূজো করলেও চলতি বছরে বিধানসভা ভোটের খারাপ ফল হওয়ার কারনে দূর্গাপূজো করা নিয়ে খুব একটা উৎসাহ ছিল না বিনেপি নেতৃত্ব দের।তবে শাস্ত্রে উল্লেখ আছে একবার পূজো শুরু করলে পর পর তিনবার পূজো করতেই হয়।শাস্ত্রীয় রীতিনীতির জালেই কার্যত ফেঁসে গিয়ে দূর্গাপূজোর আয়োজন করতে একপ্রকার বাধ্য হয়েছেন সুকান্ত- দিলীপ রা।সল্টলেকের ইজেডসিসি তে এবার পূজো হচ্ছে খুবই সাধারন ভাবেই।আগের বছরের ধুমধাম,জৌলুস সবই মুছে গেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষক দের মতে, গত বছর দূ্র্গাপূজোর পরবর্তী সময়ে বিধানসভা ভোট থাকায় সেই সময় দূ্র্গাপূজো ধুমধাম করে আয়োজন করে কার্যত বাঙালিদের মন দখলের চেষ্টা করেছিল বিজেপি। বিজেপির সর্বোচ্চ নেতৃত্বের ও লক্ষ্য ছিল পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের অধিকার ফলানো। আর তাই তো গতবছর ধুমধাম করে দূর্গাপূজোর আয়োজন করা হয়,এই পূজোর উদ্বোধন করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি।

বারবার বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ার পর একেবারে শেষ মুহুর্তেই এই বছরে দূর্গাপূজোর সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য বিজেপি।দলের জাতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা কেও তারা চেয়েছিল উদ্বোধক হিসাবে।রাজ্য বিজেপির তরফ থেকে এই সংক্রান্ত একটি চিঠিও পাঠানো হয় দিল্লি তে।কিন্তু দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে রবিবার রাত অবধি ও জে পি নাড্ডার তরফে এই বিষয়ে কোনো প্রকার উত্তর ই আসেনি রাজ্য বিজেপির কাছে।

এইসব কান্ডে পরিস্থিতি সুবিধার না দেখে রাজ্য বিজেপি নেতারা নিজেদের মধ্যে একদফা মিটিং শেষ করে সিদ্ধান্ত নেন দলের রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারই দূর্গাপূজোর উদ্বোধন করবেন।

উল্লেখ্য, বিজেপি সূত্রে খবর রবিবার দুপুরে আসন্ন উপনির্বাচন এর প্রস্তুতি সংক্রান্ত বৈঠকে বসেছিল বঙ্গ বিজেপি। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, সর্বভারতীয় সহ সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সংগঠন সম্পাদক অমিতাভ চক্রবর্তী, দুই সহ সভাপতি প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরি, সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।জানা গিয়েছে উপনির্বাচন নিয়ে আলোচনার থেকে বেশি ওই বৈঠকে পূজো সংক্রান্ত আলোচনাই হয়েছে।

আরোও পড়ুন :