কনকনে শীতের মধ্যেই ঘ্যানঘ্যানে বৃষ্টি! কবে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি?

38
- Advertisement -


ক্রমেই কমছে তাপমাত্রার পারদ আর তারই সাথে শীতের লাগাতার বৃষ্টিতে নাজেহাল সাধারন মানুষ। চলতি শীতে জানুয়ারীর প্রথম দিকে তাপমাত্রার পারদ কমতে শুরু করলেও তা বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। পরপর পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারনে তাপমাত্রার পারদ বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথেই উধাও হয়েছিল কনকনে ঠান্ডা। এমনকি ডিসেম্বরের বেশ কিছুদিন ধরেই মেঘলা আকাশ ও লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে সাগর স্নানের দিনই যেন কনকনে শীতের প্রভাব লক্ষ্য করলো বঙ্গবাসী।

- Advertisement -

গত দুই দিন ধরেই লাগাতার বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রার পারদে কার্যত রেকর্ড পতন লক্ষ্য করা গেছে। পূর্বের পূর্বাভাস মতোই জানুয়ারির ১৪ তারিখ যেন শীতলতম দিন হয়ে দেখা দিল। শুধু দিনের তাপমাত্রাতেই নয় বরং রাতের তাপমাত্রার পারদ ও নামতে দেখা গেল অনেকটাই। বৃহস্পতিবার দিনই ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা লক্ষ্য করা গিয়েছিল। তবে ঠিক তার পরের দিন অর্থাৎ শুক্রবার এক লাফে সেই পারদ স্বাভাবিকের থেকেও আরো ৫ ডিগ্রি কমে দাঁড়ায় ২০.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

তবে রাতের তাপমাত্রাতেও পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে যথেষ্ট। বিগত দিনগুলিতে রাতের তাপমাত্রা ১৮.২ ডিগ্রির আশেপাশেই থাকতে দেখা গিয়েছিল। গত কাল অর্থাৎ শুক্রবার স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কমে রাতের তাপমাত্রা গত দিনের থেকে চলে এসেছিল ১৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। আবহাওয়া বিদরা জানাচ্ছেন আগামী দিনে রাতের তাপমাত্রায় ফের পতন লক্ষ্য করা যাবে। আর তার সাথেই উত্তরবঙ্গবাসী বিগত দিনে গুলির মতোই ঘন কুয়াশার সাক্ষী থাকবে আগামী দিন গুলোতেও।

শীত কালে জাকিয়ে শীত অনেকের কাছে ভালো লাগলেও এহেন বর্ষাকালের মতো বৃষ্টি যেন কারোরই পছন্দ নয়। তবে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে আজ অর্থাৎ শনিবার বিকেল পর্যন্ত এই বৃষ্টির দাপট চলতে পারে। তারপর থেকেই ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি। জানানো হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার ও আলিপুরদুয়ারে আজও চলতে পারে হালকা বৃষ্টির দাপট। এমনকি কয়েক জায়গায় শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। আর এর সাথেই এই সব স্থানে আরো কমতে পারে তাপমাত্রার পারদ।

আরোও পড়ুন :