“দেবকে জোর করে তৃণমূলে রাখা হয়েছে”, বিস্ফোরক দাবি করলেন সুকান্ত মজুমদার


বীরভূম জেলার বগটুই গ্রামের ঘটনা নিয়ে এখন উত্তাল গোটা রাজ্য। বিরোধীরা চেপে ধরেছে শাসক দলকে। সকলেই চোখ তুলছে তৃণমূল দল সহ পুলিশের ভূমিকার ওপর। সিবিআই তদন্ত চালিয়েও যা তথ্য সামনে আনছে সেখানে পুলিশের ওপর রাজনৈতিক চাপের তত্ত্ব পরিষ্কার হচ্ছে ধীরে ধীরে।

- Advertisement -

এর মধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। একটি সাংবাদিক বৈঠকে বগটুই কান্ড নিয়ে তিনি বলেন, ‘আরো বোমা আরো চিঠি পাওয়া যাবে। অনুব্রত মণ্ডল আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় আনারুল একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাতে চাইছে। তবে বীরভূম জেলাতে একটি পাথর নড়ে না অনুব্রতর ইশারা ছাড়া। তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কিছু হয়েছে বলে আমার মনে হয় না গোটা রাজ্যে পুলিশের মেরুদন্ড নেই।’

রামপুরহাটের ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূলের অভিনেতা সাংসদ দেব। তিনি বলেছেন, ‘পুলিশ প্রশাসনের আরো শক্ত হওয়া উচিত। রামপুরহাটে যা ঘটেছে তা কখনোই কাম‍্য না। এতে বাংলার নাম খারাপ হচ্ছে। ক্ষমতার নেশায় যেন কখনো এমন না হয় যে মানুষ মানুষকে চিনতে না পারে।’

দেবের এই বক্তব্য প্রসঙ্গেই বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন সুকান্ত বাবু। তিনি বলেছেন, ‘আমি দেবকে চিনি লোকসভায় দেখেছি। যতদূর বুঝি দেবকে জোর করে তৃণমূলের রাখা হয়েছে।’ স্বাভাবিক ভাবেই তার এমন মন্তব্যের পর থেকে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জল্পনা। কিসের ভিত্তিতে এমন কথা বললেন তিনি?

এই প্রসঙ্গে এখনও কোন প্রতিক্রিয়া দেননি দেব। তবে বগটুই এর ঘটনা নিয়ে তৃণমুলের দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল এবং বর্ষীয়ান নেতা ও বিধায়ক আশিস বন্দোপাধ্যায়ের মধ্যে ফাটল আরো চওড়া হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডল দাবি করেছেন তিনি আগেই আনারুল হোসেনকে সরানোর তোড়জোড় শুরু করেছিলেন কিন্তু আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় তাকে চিঠি দিয়ে আনারুলকে নিজের পদে বহাল রাখতে বলেছিলেন। চিঠির সত্যতা স্বীকার করে নিয়েছেন দুজনেই।

আরোও পড়ুন :