স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বাড়ছে দূরত্ব, প্রভাব যৌনজীবনেও! এই কারণগুলির বিষয়ে কখনো ভেবে দেখেছেন?

63
- Advertisement -

ছবি : প্রতীকী

বর্তমান স্ট্রেসফুল লাইফে আমাদের পক্ষে জীবনযাত্ৰা ভীষণভাবেই কঠিন হয়ে উঠছে। এত ব্যস্ততা, কেরিয়ার টেনশন অফিসের টার্গেট পূরণ সবকিছু করার পাশাপাশি সংসারের যাবতীয় দায়িত্ব নিতে গিয়ে আমরা আসলে ভুলে যাচ্ছি আমাদের জীবনসঙ্গিনীর কথা। যেহেতু বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পুরুষরাই বাইরে কাজ করে সংসার চালানোর দায়িত্ব নিয়ে থাকেন সেহেতু তাদের ক্ষেত্রেই এমনটা বেশি করে ঘটছে যার ফলে স্ত্রীর সঙ্গে বেড়েই চলেছে দূরত্ব। আর এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে যৌনজীবনে। এর কিছু কারণ অবশ্যই রয়েছে যার ফলে আমাদের সঙ্গে এমনটা হয়ে চলেছে। অবশ্যই সেগুলিকে বোঝা দরকার।

- Advertisement -

বেশিরভাগ সময় ছেলেদের পরিষ্কার পরিছন্ন থাকার বিষয়ে উদাসীন থাকতে দেখা যায়। তারা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকেন না। সব রকম হাইজিন মেনে চলেন না। যেমন মুখ খুললেই দাঁত নোংরা থাকলে আর মুখে গন্ধ থাকলে মেয়েরা তা মোটেই পছন্দ করেন না। তাই আমার স্ত্রী আমার সঙ্গে যৌন সম্পর্কে ইচ্ছুক নয় বলার আগে নিজের দিকে খেয়াল রাখুন। ভালো করে দাঁত ব্রাশ করুন, নিয়মিত স্নান করুন, নিজের অর্ন্তবাস কাচুন। সেই সঙ্গে জামাকাপড় অবশ্যই পরিচ্ছন্ন রাখুন।

কিছু এমন পুরুষ থাকেন যাঁরা নিজেদে কাজ, সংসার এবং পরিবারে এমন ভাবে জড়িয়ে যান তখন তাঁরা ভুলে যান যে স্ত্রী বা প্রেমিকা আছে। প্রেমের প্রথম দিকে বা বিয়ের পর তাঁরা যেমন থাকেন পরের দিকে কিন্তু ছেলেরা বেমালুম বদলে যান। কিন্তু সেই অনুভূতিটা তাঁদের থাকে না। মেয়েদের মধ্যে যা আবার প্রবল থাকে। তাঁদের কাছে তখন চেনা মানুষই সম্পূর্ণ অচেনা হয়ে যান। ফলে সম্পর্কে ভাঁটা পড়ে।

বিয়ের পর অনেক সময় দেখা যায় স্বামী পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। তিনি কি করবেন, করবেন না সব নির্দেশই স্বামী দিচ্ছেন। ফলে তাঁর কাছে স্বামী-স্ত্রীর থেকে অন্য সাংসারিক আকর্ষণ বেশি প্রাধান্য পায়। নিজেকে সর্বক্ষমতার অধিকারী দেখানোর একটা চেষ্টা থাকে।

অনেক সময় মেয়েরা হরমোনজনিত নানা সমস্যায় ভোগেন। যার প্রভাব মনের উপর খুব তীব্র। অনেক সময় শরীর ও মন দুই ভেঙে যায়। নানারকম ওষুধের প্রভাবের জন্যও হয়। যা যৌনইচ্ছা দমিয়ে দেয়। এর জন্য ডায়েট ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন খুবই জরুরি। এরকম সমস্যা হলে স্ত্রী বা প্রেমিকার পাশে থেকে তাঁকে বোঝান। কোনও রকম সমস্যা হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। কারণ তিনি অনেক ভালোভাবে পুরো বিষয়টি বোঝাতে পারবেন।

আরোও পড়ুন :