মা লক্ষীকে সন্তুষ্ট করার উপায়, এই কাজটি করুন সর্বদা মা লক্ষীর কৃপা পাবেন এবং অর্থকষ্ট দূর হবে

162
- Advertisement -

মা লক্ষীকে সন্তুষ্ট করার উপায়, এই কাজটি করুন সর্বদা মা লক্ষীর কৃপা পাবেন এবং অর্থকষ্ট দূর হবে

মানুষ নিজের ভাগ্য নিজে তৈরি করে। আর একমাত্র সৎ চেষ্টার দ্বারা তা অর্জন করা সম্ভব। তাই একথা অস্বীকার করা যায়না যে, চেষ্টাই হলো একমাত্র সাফল্যের চাবিকাঠি। কিন্তু এমন ও অনেক মানুষ রয়েছেন যারা চেষ্টা করতে কোনদিনই কোনো কমতি রাখেন না। তবুও তাদের ভাগ্যর চাকা কখনো ঘোরে না, অর্থাৎ ভাগ্যদেবী তাদের ওপর প্রসন্ন হন না। এই বিষয়টা অনেকটা ইংরাজি কবিতা ‘দ্যা নর্থ শিপ’ এর মতো। যেখানে আমরা দেখেছি প্রথম জাহাজটিকে বাতাস ও সমুদ্র সাহায্য করার ফলে সে একটি ধনী দেশে পৌঁছে যায়, কিন্তু দ্বিতীয় জাহাজটি পৌঁছতে সম্পূর্ণ ভাবে বিফল হল। সমুদ্র তাকে রীতিমত পরাজিত করেই ফিরিয়ে দিল।

- Advertisement -

আর তৃতীয় জাহাজটির কপালে জুটলো লম্বা একটা যাত্রা। এই জাহাজটি বহু দুর্যোগ সহ্য করেও অবশেষে সাফল্যের দোরগোড়ায় পৌঁছতে পারলো না। যুদ্ধ করার ফলে সে অনেক অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করলো সেটা ঠিক, কিন্তু একটা সময়ের পর আমরা সবাই নিজেদের জীবনে সাফল্য চাই, তাই নয় কি? জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে আমরা সকলেই চাই, এবং সেই লক্ষ্যের চূড়ায় পৌঁছনোর জন্য আমরা অনেক চেষ্টা ও করি। ধরে নিন, আপনার জীবনের অবস্থা যদি ঐ তৃতীয় জাহাজটির মতো হয় তবে চেষ্টা ছাড়াও আরও কিছু উপায় অবলম্বন করতে হবে, আশা করি আপনার তাতে কোনো অসুবিধা নেই? চেষ্টা ছাড়াও বাকি যে জিনিস আপনাকে অবলম্বন করতে হবে সেটা হলো – বিশ্বাস, এই বিশ্বাস আসলে নিজেদের মধ্যেই তৈরি হওয়া একটি শক্তি। কেউ কেউ আবার এটাকে কুসংস্কার বলেও ডেকে থাকেন। কিন্তু আমরা কেউই একথা অস্বীকার করতে পারবো না যে, পৃথিবীতে সত্যিই এমন অনেক কিছুই আছে যা আমরা বিজ্ঞান দিয়ে বিশ্লেষণ করতে পারবো না। মানুষ এই পৃথিবীতে অনেক যুগ পরে এসেছে। এই বিশাল মহা বিশ্বে, প্রতিনিয়ত যে এত কাণ্ড ঘটে চলেছে আমরা কেউ তার কোনও হিসেব দিতে পারবো?, না হয়তো পারবোনা।

আচ্ছা আপনি কি আপনার জীবনে অনেক রকম টোটকা ব্যবহার করে শেষমেশ ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন? যদি উত্তরটা হ্যাঁ হয়, তাহলে একবার এই চেষ্টাটা করেই দেখুন। এমন অনেকেই আছেন যারা বৃহস্পতিবার দেবী লক্ষীর মুখ দর্শন করার জন্য পাঁচালি পড়েন। আর দেব-দেবীর সামনে ধূপকাঠি জ্বালানোর অভ্যাস তো প্রায় সকলেরই আছে। ব্যাস তাহলেই, আপনার কাজ সিদ্ধ। এই টোটকাটা মানতে গেলে আপনার একগাদা উপকরণের প্রয়োজন নেই। শুধু দুটি ধুপকাঠি নিন, তারপর ওই দুটি ধূপকাঠির গায়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে সিঁদুর মাখিয়ে নিন। এবার লক্ষী বার অর্থাৎ বৃহস্পতি বার মায়ের আসনের সামনে ধূপ দুটি জ্বালিয়ে দিন। তবে হ্যাঁ, এই কাজটি করার জন্য কিন্তু আপনাকে একটি পূর্ণিমার দিন বেছে নিতে হবে, এবং ভুল করেও কিন্তু ধূপ দুটি একদিনে জ্বালিয়ে ফেলবেন না। কমপক্ষে, এক সপ্তাহ ধরে জ্বালানোর চেষ্টা করবেন। আর যেদিন ধূপকাঠি দুটি আপনি মায়ের সামনে জ্বালাবেন, সেদিন লক্ষীর পাঁচালি পাঠ করুন। যদি আপনি এই নিয়ম মেনে চলতে পারেন, তাহলেই দেখবেন আপনার সংসারে শান্তি ফিরে আসবে, এবং আর্থিক ভাবে লাভবান হবেন আপনি। নিজের জীবনে সবরকম ভাবে উন্নতি করতে পারবেন।

আরোও পড়ুন :