ল্যাপটপ ব্যবহার করলে এই তথ্যটি অবশ্যই জেনে রাখুন, নাহলে পরে হাত কামড়াবেন

Image Source : Google

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কম্পিউটার ছাড়া আমরা রীতিমতো অচল। অফিসের কাজে কম্পিউটারের চাহিদা এখনও থাকলেও, পারসোনাল কাজের ক্ষেত্রে ব্যাটারি ব্যাকআপ ও বহনযোগ্যতার সুবিধার্থে বর্তমানে বাজার দখল করেছে ল্যাপটপ। আমরা অনেক খোঁজ খবর নিয়ে, অনলাইন অ্যাপ ঘেঁটে ডিভাইস কিনলেও, ব্যাবহারে অসাবধানতার কারণে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে আমাদের ডিভাইস। আসুন নিজেদের সাধের ল্যাপটপকে সুস্থ রাখার কিছু ঘরোয়া পদ্ধতি জেনে নেই।

- Advertisement -

স্ক্রিন প্রটেক্টর:
সবার প্রথমে বলি আমরা টাচ স্ক্রিন মেবাইলে যেমন ‘প্রটেক্টর’
ব্যাবহার করি, ল্যাপটপেও ঠিক তেমনি ‘প্রটেক্টার’ ব্যাবহার করতে হবে। এই ‘প্রটেক্টর’ আপনার ল্যাপটপের স্ক্রিনকে দাগ বা আঘাত থেকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রাখবে। এর দাম মাত্র ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

কি-বোর্ড প্রটেক্টর:
কি- বোর্ড হল একটি স্বচ্ছ রবারের পর্দা, যা অাপনার ল্যাপটপের কি-বোর্ডে কোনো রকম ধুলো ময়লা ঢুকতে দেবে না। ও ল্যাপটপ ব্যবহার কালীন অসাবধানতা বসত তরল কোনো বস্তু যেমন চা, কফি ইত্যাদি পরে গেলেও কি-বের্ডে ঢুকতে পারবে না। এই ‘কি-বোর্ড প্রটপক্টরের’ দাম মাত্র ১০০ থেকে ১৫০ টাকা।

কুলিং ফ্যান :
ল্যাপটপে অনেক ছোট পরিসরে কম্পিউটারের প্রয়োজনীয় মাদারবোবোর্ড, প্রসেসর, র‌্যাম, হার্ডডিস্ক ইত্যাদি থাকায় দীর্ঘসময় ব্যাবহারে গরম হয়েপ যায়। তখন কুলিং ফ্যানের উপর ল্যাপটপ রেখে কাজ করলে তা দ্রুত ঠান্ডা হয়ে যায়। বাজারে এই ফ্যানের দাম ৫০০ থেকে ৩০০০।

ভেন্টিলেটর পরিস্কার :
ল্যাপটপের ব্যাকসাইডে ও পাশে ভেন্টিলেটর থাকে, সেগুলি সবসময় পরিষ্কার রাখুন। যার ফলে গরম হাওয়া আর ধূলো বের হতে পারে।

বিছানা বা বালিশের উপরে ব্যবহার করবেন না :
বিছানায় বালিশের উপর রেখে কখনই ল্যাপটপ ব্যন্বহার করবেন না। এতে ভেন্টিলেটর জাম হয়ে যায়, গরম বাইরে আসতে পারে না। এমনকি ডিভাইস কোমায় চলে যেতে পারে

বিদ্যুৎ সংযোগে সতর্কতা অবলম্বন :
ল্যাপটপে বিদ্যুতের সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বদাই সতর্ক থাকতে হবে। বৈদ্যুতিক বোর্ডের সুইচ অন থাকা অবস্থায় ল্যাপটপের প্লাগ ঢোকাবেন না আবার কখনই হঠাৎ করে অ্যাডাপ্টারের তারটি খুলেও ফেলবেন না। এতেও ল্যাপটপের ক্ষতিগ্রস্ত হবার সম্ভবনা অাছে।

চার্জ নিঃশেষ করুন:
সপ্তাহে অন্তত দু’বার আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ শেষ করুন, তা না হলে ব্যটারির প্রতিটি সেল সমান ভাবে ব্যবহার হয় না । আর অতি অবশ্যই বিদ্যুৎ সরবরাহ দেওয়া কালীন ল্যাপটপ ব্যাবহার করবেন না হঠাৎ বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারনে ডিভাইস ক্ষতিগ্রস্থ হয়।

সফটওয়্যার ইনস্টল:
আপনার ল্যাপটপে হয়তো এমন কিছু সফটওয়্যার আছে যেগুলির আপনার প্রয়োজন নেই।সেই সফটওয়্যারগুলো আনইনস্টল করে দিন এবং অপ্রয়োজনীয় কোনও সফটওয়্যার ইনস্টল করবেন না প্রয়োজনে কোনও ক্লিনার চালিয়ে রান করে নিন। ও ল্যাপটপ সবসময় রিফ্রেস করে রাখবেন।

অ্যান্টিভাইরাস :
ইন্টারনেট ব্যবহার করার সময় আপনার ল্যাপটপ ভাইরাস নামক ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম দ্বরা অাক্রান্ত হতে পারে। তাই অবশ্যই লাইসেন্সড অ্যান্টি-ভাইরাস ব্যবহার করে ডিভাইসটি ভাইরাস মুক্ত রাখুন।

স্ক্রিনের রেজোলিউশন :
আপনি যখন ল্যাপটপ ব্যাটারিতে চালাবেন তখন স্ক্রিনের রেজোলিউশন যথাসম্ভব কমিয়ে রাখুন। এতেও আপনার ব্যাটারি লাইফ বৃদ্ধি পাবে। অর্থাৎ ব্যাটারিতে চলার সময় কম রেজোলিউশনে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে ব্যাপআপ টাইম বেশি পাবেন।

এই নিয়মগুলো মেনে চলুন এবং আপনার ল্যাপটপকে রাখুন সুস্থ।

আরোও পড়ুন :