সাবধান হয়ে যান এখনই,অতিরিক্ত স্মার্টফোন ঘাঁটলে আপনিও হতে পারেন এই রোগের শিকার

52
- Advertisement -

নোমোফোবিয়া
বর্তমান সময়ে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন না এরকম মানুষ খুব কমই আছেন।তবে স্মার্টফোন ব্যাবহার করতে করতে কিছুক্ষন স্মার্টফোন ছাড়া থাকলে কি কখনও শরীর খারাপ করে কিংবা চিন্তায় ঘেমে যান?তাহলে আপনি মারাত্মক মস্তিস্কের রোগের শিকার হতে চলেছেন।স্মার্টফোন এর অধিক ব্যবহারের ফলে এই রোগ হতে পারে তা নিয়ে বিশেষজ্ঞ রা বেশ কিছুদিন ধরেই সতর্ক করে চলেছেন সাধারন মানুষকে।

- Advertisement -

বিশেষজ্ঞ রা জানিয়েছেন এই রোগ কে বলা হয় নোমোফোবিয়া।কিন্তু নোমোফোবিয়া নামের এই মস্তিষ্কের রোগে মোবাইল ফোন না থাকার কারণে আপনার এত সমস্যা হয় যে আপনার জীবন প্রভাবিত হতে থাকে।  আসুন জেনে নিন নোমোফোবিয়া কি?

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, চিকিৎসা বিজ্ঞানে এমন ভয় বা উদ্বেগকে একটি ফোবিয়া বলা হয়েছে, যার কারণে আপনার দৈনন্দিন জীবনে ব্যাঘাত ঘটতে শুরু করে। নোমোফোবিয়া হল ‘নো মোবাইল ফোন ফোবিয়া’-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।  যা মূলত মোবাইল ফোন থেকে দূরে চলে যাওয়ার দুশ্চিন্তার ফলে দেখা দেয়।

উদ্বিগ্ন হওয়া, শ্বাসকষ্ট,কাঁপুনি,ঘাম,মনোযোগের অভাব,নার্ভাসনেস,অত্যধিক হৃদস্পন্দন, ইত্যাদি হল নোমোফোবিয়ার লক্ষন।নোমোফোবিয়ার ফলে মেরুদণ্ডের বাঁক,কম্পিউটার ভিশন সিন্ড্রোম,পাঠ্য ঘাড়,ফুসফুসের ক্ষমতা হ্রাস,ঘুমিয়ে পড়তে সমস্যা,বিষণ্নতা, ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়।

বিশেষজ্ঞ দের মতে নোমোফোবিয়া কাটিয়ে তোলা ও খুব সহজ।কয়েকটি পদ্ধতি অবলম্বন করলে অচিরেই কাটিয়ে উঠতে পারবেন এই রোগ।এরকমই ক’টি পদ্ধতি হল-
১)রাতে ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ ছেড়ে দিন।
২)ঘুমানোর সময় মোবাইল দূরে রাখুন।
৩)২-৩ মাস পর, ৭ দিনের জন্য নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখুন।
৪)পরিবার বা সঙ্গীর সঙ্গে সময় কাটানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করবেন না।
৫)দিনে মাত্র একবার মোবাইল চার্জ করার লক্ষ্য করুন।
৬)যে অ্যাপগুলিতে আপনি অনেক সময় ব্যয় করেন সেগুলি মুছুন।
৭)অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে সচেতন হন।
৮)মোবাইল ফোনটি কিছু সময়ের জন্য বাড়িতে রেখে বাজারে বের হন।

আরোও পড়ুন :