বাঁকুড়ায় চালু হল মাটি সৃষ্টি, পরিজায়ীদের কর্মদিশা এবার


অনিরুদ্ধ সরকার,বাঁকুড়াঃ করোনার জেরে আগামী দিনে সারাদেশে ভয়াবহ আর্থিক ধ্বস নেমে আসতে পারে বলেই অর্থনীতিবিদরা ইতিমধ্যে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। সেকথা মাথায় রেখেই গ্রামীণ কর্মসংস্থান ও ভিন রাজ্যে থেকে আসা পরিযায়ী শ্রমিকদের কাজের সুযোগের লক্ষ্যে বাঁকুড়া জেলা জুড়ে শুরু হল কর্মদিশার মাধ্যমে মাটিসৃষ্টি প্রকল্প। ইতিমধ্যে জেলার বহু পরিযায়ী শ্রমীক ভিন রাজ্য থেকে কাজ হারিয়ে ফিরে এসেছেন। কর্মহীন মানুষের হাতে কাজ দিয়েই গ্রামীণ অর্থনীতি মজবুত করতে চায় রাজ্য সরকার। সেইমতো মাটি সৃষ্টি প্রকল্পের উদঘাটন।

- Advertisement -

জেলাজুড়ে পঞ্চায়েত, সেচ, মৎস, বনদপ্তর সহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরকে ইতিমধ্যে কাজের ফর্দ তৈরি করে রাখতে নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের মাধ্যমে যেসব কাজ হয়ে থাকে যেমন পুকুর ও হাপা কাটা ও নদী বাঁধ মেরামত এর পাশাপাশি পতিত জমি আবাদি করে চাষাবাদ ও ফলের বাগান তৈরি, নতূনভাবে পুকুর তৈরি করে মাছ চাষে উদ্যোগী করার কর্মসূচি গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন।

এই প্রকল্পে জেলার প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েত নতুনভাবে ২০০ করে পরিবারকে কাজ দেয়া হবে। আর তাই বাঁকুড়া জেলার হীড়বাঁধ, ইন্দপুর, রানীবাঁধ, রাইপুর,তালডাংরা, সিমলাপাল, খাতড়া এলাকার মধ্য দিয়ে কর্মদিশা প্রকল্প চালু করা হলো। যেখানে মাটি সৃষ্টি কর্মসূচির মাধ্যমে এদিন জেলার ২৯৩০ হেক্টর জায়গাজুড়ে এমজিএনআরজিএ স্কিম এর মধ্য দিয়ে নতূন পরিবারের ২২৯০ জন কর্মী যুক্ত হন। এদিন জেলাজুড়ে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন জেলার জনপ্রতিনিধিরা।

রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামউন্নয়ন দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা জানান বহু মানুষ কাজ হারিয়েছে। যাদের জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তিনি ১০০ দিন প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হয়েছেন। প্রতিটি গ্রাম পঞ্চায়েতে নতুন করে ১০০ কর্মদিবসের ঘোষণা করেছেন আজ আমাদের বাঁকুড়া জেলায় ১৯০ টি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২০০ জন করে নতুন করে শ্রমিকদের নিয়োগ করা হলো। বাঁকুড়া জেলাশাসক অরুণ প্রসাদ জানান যারা পরিশ্রমিক যারা বাইরে থেকে আসছে তাদের আমরা এর মাধ্যমে কাজ দিতে পারবো। ছাড়াও আমাদেরও জেলার সাধারণ শ্রমিকরাও দ্বিগুণ হবে কাজ পাবেন। আজ আমরা উদ্যোগ নিয়েছি যাদের কাজের চাহিদা আছে সেরকম পরিবারকে মাঠে নেমে নামানো হলো। এই প্রকল্পের নাম দেয়া হয়েছে কর্মদিশা।

আরোও পড়ুন :