বিস্ফোরক অঙ্কিতা, মুখ খুলতেই বেরিয়ে এলো একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

62
- Advertisement -

Image Source : Google

সুশান্ত সিং রাজপুত মারা যাওয়ার পর থেকে সারা দেশে তাঁকে নিয়ে চর্চা চলেছে। বহু মানুষ বহু কথা বলেছেন সুশান্তকে নিয়ে। তবে এবার সুশান্তের মৃত্যু নিয়ে মুখ খুললেন তাঁর বান্ধবী অঙ্কিতা লখান্ডে। অঙ্কিতার সঙ্গে সুশান্তের সম্পর্ক সাত বছরের বেশি। অভিনেতার মৃত্যুর পর থেকেই চুপ ছিলেন অঙ্কিতা। সম্প্রতি মুখ খুললেন তিনি।

- Advertisement -

তিনি বললেন, ‘আমি এই সত্যির সঙ্গে আস্তে আস্তে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছি। সুশান্তের সঙ্গে আমার চার বছর সেরকম কোনও কথা হয়নি। আর তাই ওকে খুন করা হয়েছে নাকি ও আত্মহত্যা করেছে কোনওটাই আমি জোর দিয়ে বলতে পারব না। যদি ওকে আত্মহত্যাই করতে হয় তাহলে সেই কারণ সামনে আসুক। আর যদি খুন করা হয়ে থাকে. কেন করা হল সেই কারণও সামনে আসুক। এটুকু আমি জোর দিয়ে বলতে পারি এর পিছনে খুব বড় রহস্য আছে। মুশান্তের মৃত্যু রহস্যের সঙ্গে বলিউডের অনেক বড় কারণ জড়িত। কারণ সুশান্তের কেরিয়ার নিয়ে চাপ ছিল না।

ও এমন ছেলে নয় যে কখনও কাউকে আঘাত দেবে। আর ও পাঁচ বছরের কেরিয়ার পরিকল্পনা করে রেখেছিল। তাতে সফলও হয়েছে। তাই কেরিয়ারের জন্য অবসাদ বা আত্মহত্যা কোনওটাই করবে না। আর খুব ব্যালেন্স ছেলে সুশান্ত। প্যাশনেট, নিজের জীবনের গোল সেটিং দুর্দান্ত ভাবে করত। এমনকী আমার কেরিয়ারের প্ল্যানিং করে দিয়েছিল। সুশান্তকে ডিপ্রেশনের ওষুধ খেতে হবে আমি বিশ্বাস করি না। সুশান্তের পরিবার সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। গত এক বছর পরিবারের সঙ্গেও সুশান্তের ভালো যোগাযোগ ছিল না। কিন্তু সুশান্তের দিদিদের সঙ্গে ভালো যোগাযোগ ছিল অঙ্কিতার। গত বছর নভেম্বরে সুশান্তের ডেঙ্গি হয়। তখন ও বাড়ি যাবে সব ঠিক। ফ্লাইটের টিকিট হয়ে গেছে। রানি দিদি সুশান্তের মায়ের মতো। কোনও দিন রানি দিদির কথা ও ফেলেনি। কিন্তু সেদিন বলেছিল , ‘তুমি চলে যাও, আমি বাড়ি যাব না ঠিক আছি’। এমনকী শ্বেতা দিদির সঙ্গে ওর সম্পর্ক একদম আলাদা ছিল। সব বলত শ্বেতা দিদিকে। সেই দিদির সঙ্গেও সুশান্তের ঝগড়া হয়ে কথা বন্ধ হয়ে যায়।

তাঁরা আমায় ফোন করে বলতেন, আমার ভাইয়ের কি হয়েছে। ও তো এরকম ছিল না। কেন আমার ভাই বদলে যাচ্ছে। গত এক বছর সুশান্তকে নিয়েও আপসেট ছিল ওর পরিবার। বিশেষত ‘পাপাজি’। রিয়াকে আমি চিনতাম না। একদিন একটি সাক্ষাৎকারে রিয়া বলেছিল, ও ৮ বছর ধরে সুশান্তকে চেনে। কিন্তু সুশান্তের সঙ্গে আমার পাঁচ বছরের প্রেম। কই কোনও দিন তো ইন্ডাস্ট্রিতে রিয়ার অস্তিত্ব দেখিনি। কোনও একটা পার্টিতে সুশান্তের সঙ্গে রিয়ার প্রথম আলাপ হয়। রিয়া সুশান্তের কাছ থেকে কত টাকা নিয়েছে আমি জানি না। সুশান্তের পরিবার যখন বলছে তাঁরা নিশ্চয় কোনও প্রমাণ পেয়েছেন। একজন মেয়ে হিসেবে আমি এটুকু জানি, আমাকে কাজ করে ধীরে ধীরে টাকা রোজগার করতে হবে। সেই টাকাতেই আমার সাজগোজ মানায়। সুশান্ত শর্ট ফিল্ম বানাতে চাইত, কিন্তু কোনও দিন এরকম কোম্পানি খুলবে এরকম ভাবনা ছিল না। ও খুব ক্রিয়েটিভ। গত একবছর ধরে ও খুব খারাপ ছিল। সেটা ওর মুখ দেখলেই বোঝা যেত’।

তিনি আরো বলেন, ‘তবে আমাকে নিয়ে অনেক ভুয়ো খবর করা হচ্ছে। আমি কিন্তু সুশান্তের মৃত্যুর পর বিহার যায়নি। অনক আগে একবার পটনা গিয়েছিলাম। তবে সবসময় আমি ফোনে যোগাযোগ রেখেছি। আমি পটনা পুলিশকে বৃহস্পতিবার বয়ান দিয়েছি। কি বলেছি তা আপনারা শীঘ্রই জানতে পারবেন। এর আগে কিন্তু কিছু বলিনি কোথাও। এমনকী আমি সিদ্ধার্থ পিঠানিকেও চিনতাম না’।

আরোও পড়ুন :