শেষদিন শ্যুটিংয়ে গিয়েই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়! বাড়ি এসেই মাঝরাতে ঘটে অঘটন


টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক চ্যাটার্জির অকাল প্রয়াণে গোটা টলিপাড়া শোকস্তব্ধ। কেউই মেনে নিতে পারছেন না প্রিয় অভিনেতার এভাবে হঠাত করে চলে যাওয়া। ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি সকলের প্রিয় মিঠুদা যিনি সবসময় হই হুল্লোড় করে সেট মাতিয়ে রাখতেন, স্টার সুলভ আচরণ যার মধ্যে নেই বললেই চলে। মাত্র ৫৮ বছর বয়সেই চলে গেলেন মিঠুদা।

- Advertisement -

বুধবার রাত ১টা বেজে ৪০ মিনিটে সকলকে ছেড়ে চলে গেছেন অভিনেতা অভিষেক চ্যাটার্জি। তার এই হঠাত প্রয়াণ প্রথমটায় বিশ্বাস করতে পারেননি কেউই। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে নিজের ৫৭ তম জন্মদিন সেলিব্রেট করেছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায় আর বুধবার রাত ১টা বেজে ৪০ মিনিটে সকলকে ছেড়ে চলে গেলেন তিনি।

মাঝখানে অভিনয় থেকে ব্রেক নিলেও তিনি ফিরে এসেছিলেন ছোট পর্দায়। একাধিক সিরিয়ালে অভিনয় করতেন। ‘খড়কুটো’ সিরিয়ালের সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন অভিনেতা, এমনই জানিয়েছেন সহকর্মীরা। হঠাত করেই বমি করতে শুরু করেন তিনি। কাঁপছিলেন থর থর করে। এরপর তার স্ত্রীকে ডাকা হয় এবং গাড়িতে ওঠার সময়েও বমি করেছেন তিনি।

নব্বইয়ের দশকে বাংলা ছবিতে দাপিয়ে অভিনয় করেছেন অভিষেক বাবু। ‘বাড়িওয়ালি’, ‘মধুর মিলন’ , ‘মায়ের আঁচল’, ‘আলো’,’নীলাচলে কিরীটি’ এগুলি তার কেরিয়ারের অন্যতম সেরা ছবিগুলির মধ্যে একটি তবে প্রথম জীবনে নায়ক হিসেবে দেখা গেলেও ধীরে ধীরে পার্শ্বচরিত্রে দেখা যেতে শুরু করে অভিষেক চট্টোপাধ্যায়কে। বড়পর্দায় শেষ তাকে দেখা গেছে ‘বাজি’ ছবিতে।

ইন্ডাস্ট্রির বিরুদ্ধে ক্ষোভ ও উগড়ে দিয়েছেন তিনি। ‘দাদা ও দিদি’ মিলে তাকে বহু ছবি থেকে বাদ দিয়েছে এমন দাবি করেছিলেন অভিষেক চট্টোপাধ্যায়। এখানে তিনি প্রসেনজিত চট্টোপাধ্যায় এবং ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তকেই বুঝিয়েছিলেন। এই নিয়ে মাঝে বেশ বিতর্কও সৃষ্টি হয়েছিল তবে একাধিক সাক্ষাৎকারে এই বাক্য তিনি ব্যবহার করেছিলেন।

আরোও পড়ুন :